পবিত্র ত্বরিকা ও শাশ্বত সুফি দর্শনের আলোকে বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হলো মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশের ৫ম কেন্দ্রীয় সম্মেলন।
গতকাল শনিবার বহদ্দারহাটস্থ একটি কনভেনশন হলে দিনব্যাপি কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রায় ৩ হাজার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলন উদ্বোধন ও সভাপতিত্ব করেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটির কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আত্মকেন্দ্রিক লোভ, মায়ামোহ ও বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাবের কারণে আজ সারা বিশ্বে যুদ্ধ, অশান্তি, সংঘাত ও হানাহানি ছড়িয়ে পড়েছে, বিপন্ন হচ্ছে মানবতা, মনুষ্যত্ববোধ আজ চরম সংকটের মুখোমুখি।
এমন এক বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্বময় শান্তি, পরমতসহিষ্ণুতা ও অসাম্প্রদায়িকতা প্রতিষ্ঠার মোক্ষম মাধ্যম হচ্ছে সুফিধারা তথা শাশ্বত মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা ও দর্শন।
মাইজভাণ্ডারী অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দর্শন প্রচার-প্রসারে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে আসছে মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ ।
সম্মেলনে হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.জি.আ.)- এর আশীষ বাণী পাঠ করে শোনান ডা. সাইফুদ্দীন মাহমুদ। সম্মেলনের বিশেষ পর্বে গাউসিয়া হক মন্জিলের খাদেম হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনবদ্য ও অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নির্বাচিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
অতিথি ছিলেন অধ্যাপক এ ওয়াই এমডি জাফর, ইঞ্জিনিয়ার কামালুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আজিজুর রহমান, প্রফেসর ড. জসীমউদ্দীন, সৈয়দ ফরিদ উদ্দীন, জহুরুল কাদের আজাদ, শেখ মুজিবুর রহমান বাবুল।
সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন-মাওলানা নুরুন্নবী আজহারী। শেষে মাওলানা হাবীবুল হোসাইনের পরিচালনায় মিলাদ ও কিয়াম পরিবেশন এবং বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

