ছয় দশকের পথচলা। ইতিহাস, ঐতিহ্য, অর্জন আর অসংখ্য স্মৃতির মেলবন্ধনে ৬০ বছর পূর্ণ করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। প্রতিষ্ঠার ছয় দশক পূর্তি উপলক্ষে আগামী ১৮ নভেম্বর বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্যাপিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তী।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকছে র্যালি, আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, মধ্যাহ্নভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে সংগীত পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও ব্যান্ড তারকা জেমস।
হীরকজয়ন্তী উদ্যাপন ঘিরে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে নিবন্ধন কার্যক্রম। গত ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় দশকের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে সাজানো হয়েছে নানা কর্মসূচি।
নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আয়োজকেরা।
আয়োজনের শুরুতেই থাকবে বর্ণাঢ্য র্যালি। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেবেন।
র্যালি শেষে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় দশকের পথচলা, ইতিহাস ও উল্লেখযোগ্য অর্জন নিয়ে প্রদর্শন করা হবে প্রামাণ্যচিত্র।
উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে বিশেষ খাবারের আয়োজন।
তবে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে শিক্ষার্থীদের বাড়তি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন জেমস। তাঁর সংগীত পরিবেশনা ঘিরে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।
হীরকজয়ন্তী উদ্যাপনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, ‘১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তী উৎসব উদ্যাপন হবে।
উৎসবে নানা আয়োজন থাকবে। সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করেছি। রেজিস্ট্রেশন চলমান রয়েছে, সেই সঙ্গে সাংস্কৃতিক আয়োজন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ অন্যান্য প্রস্তুতি চলছে।’
ষাট বছরের এই পথচলা শুধু একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্যাপন নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীত, বর্তমান ও অর্জনকে এক সুতোয় গাঁথার উপলক্ষ।
সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় ১৮ নভেম্বর ক্যাম্পাসজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে স্মৃতি, আবেগ ও উৎসবের আবহ-এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের।
