একটি গ্রামের ইতিহাস কেবল তার ভৌগোলিক অবস্থান কিংবা প্রাচীন স্থাপনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; ইতিহাস গড়ে ওঠে মানুষের সম্মিলিত স্বপ্ন, সামাজিক বন্ধন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান মানবিক মূল্যবোধের মধ্য দিয়ে।
পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী মুজাফরাবাদ গ্রামের এমনই এক গর্বের নাম সবুজ সংঘ ক্লাব।
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়ন, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, মানবসেবা ও সম্প্রীতির বাতিঘর হিসেবে কাজ করে আসা সংগঠনটি নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে আবারও ভবিষ্যতের পথে যাত্রা শুরু করল এক স্মরণীয় ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে।
গত শনিবার অনুষ্ঠিত “অভিষেক, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬” শুধু একটি কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান ছিল না; এটি ছিল প্রজন্মের মিলন, ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ, সামাজিক দায়বদ্ধতার অঙ্গীকার এবং একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ের অনন্য উৎসব।
সকাল থেকেই ক্লাব প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। গ্রামের প্রবীণ, তরুণ, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দিনটি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত সামাজিক মিলনমেলায়।
বিকেলে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। আকাশে উড়ে যাওয়া সাদা কবুতর যেন শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবতার বার্তা বহন করে নিয়ে যায় দূর-দূরান্তে।
রঙিন বেলুনের উড়াউড়িতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। উপস্থিত দর্শনার্থীদের অনেকেই এই মুহূর্তকে নতুন কমিটির স্বপ্ন ও সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন।
এরপর বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টেলিভিশন ও বেতারের স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সংগীত, আবৃত্তি ও নানা পরিবেশনায় দর্শকদের প্রাণচাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো আয়োজনজুড়ে। শিশু থেকে প্রবীণ—সবার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানস্থল পরিণত হয় এক আনন্দঘন পারিবারিক আসরে।
সন্ধ্যা ৭টায় পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় মূল পর্ব। অতিথি বরণ, উত্তরীয় প্রদান এবং সম্মাননা ক্রেস্ট উপহার দেওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ হয় আনুষ্ঠানিক মর্যাদা ও সৌন্দর্য।
সংগঠনের সাবেক সভাপতি বিপ্লব সেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার শুভ উদ্বোধন করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম মহানগর বাগীশিকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক বাবু বনগোপাল চৌধুরী।
নতুন নেতৃত্বের শপথে উদ্দীপ্ত সংগঠন:
অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন পর্ব ছিল নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নবনির্বাচিত সভাপতি সঞ্জয় নন্দী এবং সাধারণ সম্পাদক রানা সেনের নেতৃত্বে ৪৭ সদস্যের কার্যকর পরিষদের সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বিদায়ী সভাপতি শংকর ঘোষ নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় তারা সংগঠনের আদর্শ, ঐতিহ্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতা অক্ষুণ্ণ রেখে মানবকল্যাণ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
শপথ গ্রহণের সেই দৃশ্য উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করে। করতালি আর শুভেচ্ছায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল।
সম্মাননার মাধ্যমে অবদানের স্বীকৃতি:
অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. তাপসী ঘোষ রায়কে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানান, সংগঠনের সহ সভাপতি সাংবাদিক রাজীব সেন প্রিন্স।
পাশাপাশি দীর্ঘদিন সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বিদায়ী সভাপতি শংকর ঘোষ ও সম্পাদক অঞ্জন চৌধুরীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন নবনির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদক।
এই পর্বে পুরোনো ও নতুন নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং সাংগঠনিক ধারাবাহিকতার যে চিত্র ফুটে ওঠে, তা উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়ায়।
সমাজ উন্নয়ন ও মানবিক নেতৃত্বের বার্তা:
শংকর ঘোষ ও সৈকত বিকাশ নন্দীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মুজাফরাবাদ বধ্যভূমি সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. তাপসী ঘোষ রায়।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৭নং খরনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মফজল আহমেদ চৌধুরী।
মহান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইদ্রিস মিয়া।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল করিম মেম্বার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু সুনীল বিশ্বাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক সুখেন্দু বিকাশ নন্দী, ইউপি সদস্য খোকন চৌধুরী, ইউপি সদস্যা মিসেস শুক্লা চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রবীর ঘোষ, উত্তম সেন, নির্মল ধর, সঞ্জিত ঘোষ এবং মুজাফরাবাদ সার্বজনীন শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দির ও লোকনাথ ধাম উন্নয়ন কমিটির সহ-সভাপতি কাজল সেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিবেকানন্দ সংঘের সাধারণ সম্পাদক টিটন মজুমদার, তরুণ সংঘের সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, পল্লী উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি নিউটন বিশ্বাস, মিলন সংঘের সভাপতি রাম প্রসাদ দে, অনির্বাণ ক্লাবের সভাপতি সুহাস দত্তসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
‘একটি সংগঠন বদলে দিতে পারে একটি সমাজ’:
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হচ্ছে সুসংগঠিত সামাজিক উদ্যোগ। তরুণদের সৃজনশীল শক্তি, প্রবীণদের অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের সমন্বয়ে একটি সংগঠন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারে।
প্রধান অতিথি ড. তাপসী ঘোষ রায় বলেন, “সবুজ সংঘ ক্লাব শুধু একটি সংগঠনের নাম নয়; এটি মুজাফরাবাদের সামাজিক ঐক্য ও সাংস্কৃতিক চর্চার এক উজ্জ্বল প্রতীক।
নতুন কমিটি শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রগুলোতে আরও বিস্তৃত ভূমিকা পালন করবে বলে আমি আশাবাদী।”
প্রধান বক্তা মফজল আহমেদ চৌধুরী বলেন, “যে সমাজে তরুণরা দায়িত্ব গ্রহণ করে, সেই সমাজ কখনও পিছিয়ে থাকে না।
সবুজ সংঘ ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নতুন নেতৃত্ব সেই ধারা আরও বেগবান করবে।”
মহান অতিথি হিল্লোল সেন উজ্জ্বল বলেন, “আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করে, একটি সংগঠন শুধু অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের মধ্যে সম্পর্ক, ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার সেতুবন্ধন তৈরি করে। সেই দায়িত্ব পালনেই সবুজ সংঘ ক্লাব সফল।”
অন্যান্য বক্তারাও নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতের সকল জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
বক্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে ক্লাব সদস্যদের ফটোসেশন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে এক ভিন্ন আবহ তৈরি করে। অনেকেই এই আয়োজনকে মুজাফরাবাদের সামাজিক ইতিহাসে স্মরণীয় একটি দিন হিসেবে অভিহিত করেন।
রাতভর সুর, আনন্দ ও উচ্ছ্বাস :
নৈশভোজ ও অতিথি আপ্যায়ন শেষে শুরু হয় অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ—বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
রাত সাড়ে ১০টায় প্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গান ‘সে তারা ভরা রাতে’ পরিবেশনের মাধ্যমে মঞ্চে আসেন চট্টগ্রামের সময়ের আলোচিত মুখোশ ব্যান্ডের সার্জিল।
তাঁর প্রাণবন্ত পরিবেশনা মুহূর্তেই দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। একের পর এক জনপ্রিয় গানে তিনি মাতিয়ে রাখেন পুরো অনুষ্ঠানস্থল।
পরবর্তীতে জনপ্রিয় শিল্পী প্রিয়া মনি তাঁর সুরেলা কণ্ঠে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। আধুনিক ও জনপ্রিয় গানের পরিবেশনায় তিনি দর্শকদের প্রশংসা কুড়ান।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন কণ্ঠশিল্পী পিও। তাঁর আঞ্চলিক ও রিমিক্স গানের তালে তালে দর্শক-শ্রোতারা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। রাত যত গভীর হতে থাকে, ততই বাড়তে থাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রাণচাঞ্চল্য।
করতালি, উল্লাস, গানের সুর আর উৎসবমুখর পরিবেশে রাত পেরিয়ে ভোর সাড়ে ৪টায় শেষ হয় এই মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক আয়োজন।
নতুন স্বপ্নের পথে সবুজ সংঘ :
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি বিপ্লব সেন নবনির্বাচিত কমিটির প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, সংগঠনের মূল শক্তি হলো ঐক্য, আন্তরিকতা ও মানবসেবার মানসিকতা। তিনি সকল সদস্যকে সংগঠনের গৌরবময় ঐতিহ্য সমুন্নত রেখে সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, শুভানুধ্যায়ী, সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক এবং আয়োজকদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সবুজ সংঘ ক্লাবের এই অভিষেক আয়োজন প্রমাণ করেছে, একটি সংগঠন কেবল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নয়; এটি একটি জনপদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, ভালোবাসা, সম্প্রীতি এবং সম্মিলিত অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি।
প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও তরুণদের উদ্যমকে সঙ্গে নিয়ে সংগঠনটি নতুন পথচলার যে অঙ্গীকার করেছে, তা ভবিষ্যতে মুজাফরাবাদের সামাজিক উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা এখন সবার।
“তারুণ্যের শক্তিতে গড়বো সুন্দর সমাজ”—এই প্রত্যয়কে হৃদয়ে ধারণ করেই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল সবুজ সংঘ ক্লাব।
মুজাফরাবাদ সবুজ সংঘ ক্লাবের আগামী (২০২০-২০২৮) তিনবছরের জন্য দায়িত্বে যারা:
সভাপতি সঞ্জয় নদী, সিনিয়র সহ সভাপতি রিটন নন্দী, সহ সভাপতি পঙ্কজ চৌধুরী, রাজীব সেন প্রিন্স, রাজীব চৌধুরী, রাজীব সেন। সাধারন সম্পাদক রানা সেন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক-রানা বর্ধন, সৈকত বিকাশ নন্দী, কনক সেন, যীশু নন্দী ও সুজন ঘোষ রায় ছোটন। সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন চৌধুরী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক-সুজন বণিক বাসু, বাবলু নন্দী, রুবেল গুপ্ত ও আবেশ দত্ত। অর্থ সম্পাদক রাহুল ঘোষ জন, সহ অর্থ সম্পাদক রুপন চৌধুরী, রুবেল নন্দী ছোটন, দপ্তর সম্পাদক বাসু ধর, সহ দপ্তর সম্পাদক জনি চৌধুরী, চন্দন নন্দী ও লিটন সেন। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শান্ত বিশ্বাস, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আকাশ নন্দী। ক্রীড়া সম্পাদক অভি ঘোষ, সহ ক্রীড়া সম্পাদক ঋষি ধর ও শাওন ঘোষ। সাংস্কৃতিক সম্পাদক লিপছন নন্দী, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক অন্তু ভট্টাচার্য, সুমন বিশ্বাস ও সুদীপ দত্ত। পল্লী ও অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পাদক সুমন বিশ্বাস, সহ পল্লী ও অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পাদক নবজিৎ নন্দী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রুমা ঘোষ, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিউলী চৌধুরী। প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক সুমন নন্দী সত্য, সহ প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক পিন্টু চৌধুরী, নেপু নন্দী, রানা মজুমদার, কার্ত্তিক সরকার, উৎপল ঘোষ, রাজন নন্দী ও রুবেল নন্দী। কার্যকরী সদস্য নিকাশ ঘোষ ও অন্তু দত্ত।

