back to top

মানবিকতার আলোকবর্তিকা: অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করছে ‘সাফিয়া খানম ফাউন্ডেশন’

প্রকাশিত: ২৬ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৬

বিশেষ প্রতিনিধি :

সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ভাগ্যবদল এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে জনকল্যাণমূলক সংস্থা ‘সাফিয়া খানম ফাউন্ডেশন’। মানবিকতার কল্যাণে নিবেদিত এই সংগঠনের উদ্যোগে সম্প্রতি নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বীকরণের লক্ষ্যে এক ব্যতিক্রমী কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে।

গত শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজের অসহায়, দুস্থ ও প্রান্তিক নারীদের মাঝে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। ফাউন্ডেশনের দূরদর্শী ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যা নারীদের ঘরে বসেই উপার্জনের পথ তৈরি করবে।

দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে অনন্য উদ্যোগ

সাফিয়া খানম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও কলামিস্ট এম. এ. মাসুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সেলাই মেশিন বিতরণ করেন। কেবল তাৎক্ষণিক সাহায্য নয়, বরং টেকসইভাবে দারিদ্র্য বিমোচনের এই মডেলটি সুধীমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

সেলাই মেশিন বিতরণকালে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য— হারুন মেম্বার, আবু জাহেদ, আলমগীর কবির, এবং মহিউদ্দিন চৌধুরী জকু সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। উপস্থিতি অতিথিবৃন্দ ফাউন্ডেশনের এই সময়োপযোগী ও কল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং সমাজের অন্যান্য বিত্তবানদেরও এভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

“সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের স্বাবলম্বীকরণে সাফিয়া খানম ফাউন্ডেশন বদ্ধপরিকর। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও ফাউন্ডেশনের এই ধরনের মানবিক ও স্বাবলম্বীমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”এম.এ. মাসুদ, চেয়ারম্যান, সাফিয়া খানম ফাউন্ডেশন

টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর পথরেখা অনুসরণ করে সাফিয়া খানম ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে, কেবল ত্রাণ বিতরণে দারিদ্র্য দূর হয় না; বরং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিই আসল সমাধান। সেলাই মেশিন হস্তান্তরের এই উদ্যোগটি গ্রামীণ ও শহরতলীর নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে এবং তাদের পরিবারের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

মানবতার সেবায় নিয়োজিত এই ফাউন্ডেশনটি শিক্ষা, চিকিৎসা এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজের অন্ধকার দূর করে আলোর দিশা ছড়াচ্ছে। স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু হওয়া এই মানবিক বিপ্লব ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।