back to top

ঘণ্টা বাজছে এইচএসসির: চট্টগ্রাম বোর্ডে ৯৯ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬ ০৬:০১

দীর্ঘ প্রস্তুতি, অপেক্ষা আর উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি, এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) ও আলিম পরীক্ষা।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন পরীক্ষার্থী।

ইতোমধ্যে পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এবার বোর্ডের অধীনে ১১৪টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ২৮৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেবে।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষার্থী ২৩ হাজার ৯০৩ জন, মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ২৩৮ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩১ হাজার ৫৩৯ জন এবং গার্হস্থ্য বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে ৮ জন পরীক্ষার্থী।

জেলাভিত্তিক হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগরে পরীক্ষার্থী ৩৬ হাজার ৬৮৩ জন। পুরো চট্টগ্রাম জেলায় এ সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৭৪।

এছাড়া কক্সবাজারে ১২ হাজার ২৫৫ জন, রাঙামাটিতে ৫ হাজার ৪৩৯ জন, খাগড়াছড়িতে ৭ হাজার ৩৫৩ জন এবং বান্দরবানে ৩ হাজার ৬৬৭ জন পরীক্ষায় অংশ নেবে।

পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যার দিক থেকে চট্টগ্রাম মহানগরে রয়েছে ২৬টি কেন্দ্র।

চট্টগ্রাম জেলায় ৬৮টি, কক্সবাজারে ১৮টি, রাঙামাটিতে ১০টি, খাগড়াছড়িতে ১০টি এবং বান্দরবানে ৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

পরীক্ষা পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে পরীক্ষা চলাকালে নিরাপত্তা জোরদার করতে চট্টগ্রাম মহানগরের সব পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

পরীক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রায় এক লাখ পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শুরু হতে যাওয়া এবারের এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে এখন প্রত্যাশা—শৃঙ্খলাপূর্ণ, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন হবে শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মূল্যায়ন।