back to top

পরীক্ষাহীন কীটনাশক: বাংলাদেশের মানুষের জীবনের উপর নীরব মৃত্যুঘণ্টা

প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৬ ১৫:২০

আফরোজা পারভীন : গ্রেজুয়েশন করার সময় আমার সাবজেক্ট ছিল উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান ও রসায়ন। জীববিজ্ঞান পড়ার সময় অর কীটনাশক সম্পর্কে একটা ধারণা হয়েছিল।

আমরা সকলেই জানি এই কীটনাশক আমাদেরকে খুবই সাবধানতার সাথে ব্যবহার করতে হয়। অন্যথায় নানা রকমের বিপদজনক অবস্থা ও স্বার্থগত ক্ষতির মধ্যে আমরা পড়ে যেতে পারি।

বাংলাদেশের সবুজ মাঠ, সোনালী ধান, শাক-সবজি আর ফলমূল শুধু আমাদের খাদ্যের উৎস নয়; এগুলো আমাদের জীবন, অর্থনীতি ও ভবিষ্যতের ভিত্তি। সেগুলো আমাদের প্রাণ। কিন্তু আজ সেই খাদ্য ব্যবস্থার ভেতরেই ধীরে ধীরে ঢুকে পড়ছে এক নীরব বিষ। ভয়াবহ মৃত্যুর চোখে।

পরীক্ষাগারে যথাযথ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ছাড়া যদি কীটনাশক বাজারে আসে এবং কৃষি জমিতে ব্যবহার হয়, তাহলে তা কেবল একটি কৃষি সমস্যা নয়; এটি জাতীয় স্বাস্থ্য, পরিবেশ, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বের জন্য এক ভয়াবহ হুমকি।

আমাদের দেশের সকল মানুষের সকল শিশু প্রাণ আজ বিদেশী বেনিয়াদের হাতে। তারা ইচ্ছে করলে আমাদের তিলে তিলে মারতে পারে আবার ইচ্ছে করলে আমাদের বাঁচাতেও পারে। বাঁচাইতেই যদি চায় তাহলে কেন এ ধরনের শর্ত দিবে?

আমি জাতির কাছে জানতে চাই যে এই বিষয়টা কি আদৌ সত্য? এ ধরনের শর্ত কি আদৌ দিয়েছে? আমার কাছে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। একটা বক্তব্যে শুনে আমি অবাক।

যে দিন থেকে শুনতেছি বিদেশ থেকে যে কীটনাশক আমদানি করা হবে, সেই কীটনাশক আমরা আমাদের দেশে পরীক্ষাগারে ব্যবহার করতে পারব না। আমাদের পরীক্ষাগারে ব্যবহার করতে না দেওয়ার এই বাধা কেন? এটি কি আমাদের সমগ্র জাতিকে হত্যা করার একটি চরম চক্রান্ত? না কি বুঝতে পারছি না। পরীক্ষাগারে পরীক্ষা না করে কেন আমাদেরকে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে? কেন আমরা জানতে পারবো না যে আমাদের আমদানিকৃত এই কীটনাশকের মধ্যে কি আছে যা আমাদের ক্ষতি করতে পারে।

কতটুকু পরিমাণে আমাদেরকে ব্যবহার করা যাবে স্বাস্থ্য ক্ষতি করবে না এ বিষয়টা আমাদের জানা অত্যন্ত জরুরি, এবং পরীক্ষাগারে পরিমাপ করে তবেই ব্যবহার করা দরকার।

কিন্তু আমেরিকা সরকারের এ ধরনের শর্ত আরোপ এর অর্থ কি? ড. ইউনুস কি আমাদের দেশের সকল মানুষকে হত্যা করার পরিকল্পনা করছে? এই যুক্তি যদি সত্যি হয় তাহলে আমাদের প্রতিটি জনগণের প্রতিবাদ করা উচিত।

বিষয়টি মোকাবেলা আগে করা উচিত। এটা করা উচিত শুধু আমার বাঁচার জন্য নয়, আমার বংশধরের জীবনের জন্য আমাকেই প্রতিবাদ করতে হবে।

আজ মানুষ সকালে যে সবজি খাচ্ছে, দুপুরে যে ভাত খাচ্ছে, রাতে যে মাছ বা ফল খাচ্ছে- তার ভেতরে অজান্তেই প্রবেশ করছে বিষাক্ত রাসায়নিক। মানুষ হয়তো বুঝতে পারছে না, কিন্তু প্রতিদিন অল্প অল্প করে শরীরে জমা হচ্ছে বিষ।

এই বিষ ধীরে ধীরে মানুষের শরীরকে ভেতর থেকে ধ্বংস করছে। আর এটি যদি পরিমাপ ছাড়া হয় তবে আমাদের ধ্বংস খুবই সামনে।

একজন কৃষক যখন জমিতে কীটনাশক স্প্রে করেন, তখন সেই বিষ শুধু পোকামাকড়কে হত্যা করে না; তা বাতাসে মিশে কৃষকের ফুসফুসে প্রবেশ করে, ত্বকে লাগে, চোখে যায়, রক্তের সাথে শরীরের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের অসংখ্য কৃষক আজ মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগ, চোখ জ্বালা, বমি, দুর্বলতা ও দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

অনেকেই জানেন না, তাদের অসুস্থতার পেছনে বছরের পর বছর বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শ দায়ী। আর সেটি যদি হয় মাপের অতিরিক্ত তাহলে মরণব্যাধি তার দরজায় কড়া নাড়বে খুবই শীঘ্র।

সবচেয়ে বড় বিপদ হলো শিশুদের জন্য। একটি শিশু জন্ম নেওয়ার আগেই যদি মায়ের শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক প্রবেশ করে, তাহলে সেই শিশুর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। জন্মগত ত্রুটি, মেধা বিকাশে সমস্যা, শারীরিক দুর্বলতা, স্নায়বিক জটিলতা- এসব ধীরে ধীরে সমাজে বাড়তে পারে।

একটি জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যদি বিষাক্ত খাদ্যের মধ্যে বড় হয়, তাহলে সেই জাতির সামগ্রিক মানবসম্পদই দুর্বল হয়ে পড়বে। স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম নিতে পারে। আমরা কি দেশকে অসুস্থ জাতিতে পরিণত করব?

ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগের সাথেও অনেক কীটনাশকের সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে ক্যান্সার বৃদ্ধির পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকলেও অনিয়ন্ত্রিত ও অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হয়।

পরীক্ষাহীন বা অতিরিক্ত বিষাক্ত কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ ফল, শাক-সবজি, ধান ও পানিতে মিশে মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন ধরে প্রবেশ করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব রাসায়নিকের অনেকগুলো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান বহন করে, যা দীর্ঘমেয়াদে লিভার, কিডনি, পাকস্থলী, ফুসফুস ও রক্তের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। কৃষক ও মাঠে কাজ করা শ্রমিকরা সরাসরি সংস্পর্শে থাকায় বেশি ঝুঁকিতে থাকলেও সাধারণ মানুষও খাদ্যের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কীটনাশকের কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ও ল্যাব পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি।

মানুষ যখন প্রতিদিন সামান্য সামান্য বিষ গ্রহণ করে, তখন তা হয়তো সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর কারণ হয় না; কিন্তু বছর পরে শরীরে মারাত্মক রোগ তৈরি করে।

পরীক্ষা ছাড়া এবং মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে আমাদের লিভার ধ্বংস হয়, কিডনি বিকল হয়, রক্ত দূষিত হয়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় তার আরও একটি মূল কারণ হলো কৃষকের সচেতনতার অভাব।

সরকার যে পরিমাণ কৃষক প্রশিক্ষণের অর্থ ব্যয় করছে তার থেকে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করে চিকিৎসকদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

কারণ আমাদের দেশের মানুষের যা আয় করছে তা তারা কোনোমতে জীবনযাপন করছে এবং জীবনের আয়ের সকল অর্থ শিশুদের লেখাপড়া আর চিকিৎসা খাতে ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। তারা কোনো প্রকার বিনোদন খাতে ব্যয় করে জীবনকে উপলব্ধি করতে পারছে না।

সারা জীবনের অর্জন চিকিৎসককে আর বাচ্চাদের শিক্ষককে দিতে দিতেই শেষ। আমাদের দেশে এই ভয়াবহতার কথা চিন্তা করলে জীবনের কোনো মূল্যই আমি পাইনা। চিকিৎসা ব্যয়ই একটা বিরাট বার্ডেন হয়ে গেছে।

এই চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পেরে অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে এমনকি অনেকেই পথে বসে যায়। একটি রোগ শুধু একজন মানুষকে নয়, পুরো পরিবারকে অর্থনৈতিক ও মানসিক ভাবে ভেঙে দেয় পঙ্গু করে দেয়।

পরীক্ষাহীন কীটনাশক শুধু মানুষকেই মারে না; এটি পরিবারকে ধ্বংস করে এবং প্রকৃতিকেও ধ্বংস করে। মাঠে যে মৌমাছি ফুলে ফুলে পরাগ ছড়ায়, সেই মৌমাছি মারা যায়। নদীর মাছ মরে ভেসে ওঠে। পুকুরের পানি বিষাক্ত হয়ে যায়। মাটির ভেতরের উপকারী জীবাণু ধ্বংস হয়। জমি ধীরে ধীরে উর্বরতা হারাতে থাকে। কৃষক তখন আরও বেশি রাসায়নিক ব্যবহার করতে বাধ্য হন।

এভাবে শুরু হয় এক ভয়ংকর চক্র- বিষ দিয়ে ফসল ফলানো, আবার সেই বিষ খেয়ে মানুষ অসুস্থ হওয়া। এমনিতেই আমরা এই সকল সমস্যার মধ্যে ডুবি আছি তারপরও যদি আরও বৈদেশিক চক্রান্ত আমাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার জন্য শুরু হয় তাহলে এই বিদেশি সিদ্ধান্তকে আমাদের মৃত্যু বা হত্যার সিদ্ধান্ত বলা যেতে পারে যা কখনোই একটি জাতি মেনে নিতে পারে না। এই মুহূর্তে সমগ্র বাংলাদেশের এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

বাংলাদেশের শহরের কিম্বা গ্রামের সাধারণ মানুষ অনেক সময় জানেই না যে তারা বিষাক্ত খাদ্য খাচ্ছে। বাজারে চকচকে সবজি দেখে মানুষ খুশি হয়, কিন্তু সেই সবজির ভেতরে লুকিয়ে থাকা রাসায়নিক তাদের শরীরের ভেতরে নীরব যুদ্ধ চালায়। একদিন হয়তো হঠাৎ ধরা পড়ে ক্যান্সার, কিডনি রোগ বা অন্য কোনো জটিল অসুখ। তখন আর বোঝার উপায় থাকে না, কত বছর ধরে বিষ শরীরে জমেছে।

অর্গানিক ফসলগুলো আমাদের দেশ থেকে লুটে নিয়ে যায় আর আমরা খাই অপরিমিত সার কীটনাশক যুক্ত খাবার, তাই কি হওয়া উচিত?

আমাদের সন্তানদের মৃত্যুর জন্য কে দায়ী হবে। অল্প বয়সে হাজারো সমস্যা কেবলমাত্র ডাক্তারদের ব্যবসা বাড়ে হাজার হাজার নতুন ক্লিনিক সৃষ্টি হয় কিন্তু আমাদের জীবন বিষযুক্ত খাবারের বিকল হতে থাকে।

এ ধরনের পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিকেও ভয়াবহ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বিনা পরীক্ষায় আমাদের কৃষিজাতব্য বিদেশে রপ্তানি করা হবে সেই সকল পণ্যে অতিরিক্ত কীটনাশক পাওয়া গেলে আন্তর্জাতিক বাজার সেই পণ্য ফিরিয়ে দেয়।

এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন, দেশের রপ্তানি আয় কমে যায়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে দেশের জনগণ স্বাস্থ্য সংকটে পড়বে এবং চিকিৎসাখাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হবে।

আমাদের দেশে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো, এই বিপর্যয় ধীরে ধীরে ঘটে। যুদ্ধের মতো তাৎক্ষণিক বিস্ফোরণ নেই, কিন্তু প্রতিদিন মানুষের শরীরে অল্প অল্প করে বিষ ঢুকছে।

এটি এক নীরব মৃত্যুপ্রক্রিয়া যা বিদেশি বিনিয়াদের দ্বারা আরও দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল হতে যাচ্ছে। মানুষকে নিজের অজান্তেই মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

এমত অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। জনগণের প্রতিবাদ তোলা দরকার দেশের প্রতিটি আমদানিকৃত কীটনাশকের বাধ্যতামূলক ল্যাব পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশি কোনো বেনিয়াদের শর্ত মেনে নেওয়া যাবে না যাবে না।

আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নিরাপত্তা যাচাই ছাড়া কোনো রাসায়নিক বাজারে আসতে দেওয়া যাবে না। ভেজাল ও ক্ষতিকর কীটনাশকের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে।

কৃষকদের নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। পাশাপাশি জৈব কৃষি ও পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতির প্রসার বাড়াতে হবে।

আমরা সকলেই জানি একটি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মানুষ। সেই মানুষ যদি বিষাক্ত খাদ্যের কারণে ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎও বিপদের মুখে পড়বে বিকলাঙ্গ জাতি তৈরি হবে।

তাই নিরাপদ খাদ্য, নিরাপদ কৃষি ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা এখন শুধু কৃষি নীতি নয়; এটি জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

এমতাবস্থায় বাংলাদেশ সরকারসহ আমাদের দেশের সকল মানুষের এ ধরনের মৃত্যুঘাতে চুক্তি থেকে দেশকে মুক্ত করতে রাস্তায় নামা দরকার। প্রতিবাদ করা দরকার। সরকারের এখনই উচিত হবে এই ধরনের মৃত্যুঘাতি চুক্তি বাতিল করা।

১. পরীক্ষাগারে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ছাড়া কোনো কীটনাশক আমদানি, নিবন্ধন ও বাজারজাত বন্ধ করতে হবে।
২. সব আমদানিকৃত কীটনাশকের বাধ্যতামূলক ল্যাব টেস্ট ও আন্তর্জাতিক মান যাচাই নিশ্চিত করতে হবে।
৩. জনস্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিরোধী যেকোনো গোপন বা ক্ষতিকর চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
৪. ভেজাল, নিষিদ্ধ ও অতিবিষাক্ত কীটনাশকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. কৃষকদের নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহার ও জৈব কৃষি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
৬. খাদ্যে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ নিয়মিত পরীক্ষা ও জনসম্মুখে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।
৭. কৃষি, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে স্বাধীন তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে।
৮. জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় ক্যান্সার ও বিষাক্ত রাসায়নিক নিয়ে জাতীয় গবেষণা জোরদার করতে হবে।
৯. পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কীটনাশক ধাপে ধাপে নিষিদ্ধ করতে হবে।
১০. নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা ও জনগণের জীবন রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

লেখিকা: স্নাতকোত্তর, প্রাণিবিজ্ঞান এবং নারী উন্নয়ন শক্তি নির্বাহী পরিচালক।