চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে লরির ধাক্কায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে বড়কুমিরা কিং অব কুমিরা কনভেনশন হলের দক্ষিণ পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন নারী, একজন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ২০ জনের বেশি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বাসের ভেতরে এবং তিনজন বাসের বাইরে ছিলেন। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাসটি মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে মেরামতের কাজ চলছিল। এ সময় বাসের অধিকাংশ যাত্রী নেমে পাশের একটি গাছের ডালের ওপর বসেছিলেন।
এর মধ্যেই একই দিকে চলাচলকারী একটি লরি এসে বাসটির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। বাসের ভেতরে ও বাইরে থাকা যাত্রীরা হতাহত হন।
খবর পেয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে আহত ও নিহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, হতাহত ব্যক্তিদের অধিকাংশের বাড়ি নেত্রকোনা এলাকায়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নেত্রকোনা জেলার সীবাশ্রম এলাকার ফাতেমা (৪০), আজহারুল (৪২), রাকিব (৮) এবং বড়কান্দার আবুল হোসেন (৫০)।
কুমিরা ফায়ার স্টেশনের ফায়ার ফিটার হাবিবুর ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় তিনজন নারী, একজন পুরুষ ও একটি শিশু নিহত হয়েছেন।
আহত হয়েছেন ২০ জনের বেশি। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
