back to top

ভুয়া উদ্ধৃতি ঘিরে ক্ষোভ ঝাড়লেন অভিনেত্রী অনুপ্রিয়া গোয়েনকা

প্রকাশিত: ২৬ জুন, ২০২৬ ০৬:১৩

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া খবর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়া এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা। এরই সর্বশেষ শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী Anupriya Goenka অনুপ্রিয়া গোয়েনকা।

সম্প্রতি একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে তার নামে একটি মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।

সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ওই পোস্টে দাবি করা হয়, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় এক সহ-অভিনেতা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সব সীমা অতিক্রম করেছিলেন এবং তখন তিনি বুঝতেই পারেননি কী ঘটছিল। তবে অনুপ্রিয়ার ভাষ্য, এমন কোনো মন্তব্য তিনি কখনো করেননি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলে অনুপ্রিয়া জানান, ভুয়া উদ্ধৃতিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

তিনি বলেন, এমন বক্তব্য তার ব্যক্তিত্ব ও অবস্থানকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে। একই সঙ্গে এটি একজন নারী সম্পর্কে দুর্বল ও অসম্মানজনক ধারণা তৈরি করে।

অনুপ্রিয়ার প্রশ্ন, “আমি কি এমন মানুষ যে বলব, আমি বুঝতেই পারিনি কী হচ্ছে? আমার নিজের চিন্তাশক্তি আছে। আমি কি এতটাই অসহায় যে কেউ আমার সুযোগ নেবে আর আমি কিছুই বুঝব না?”

তার মতে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া ওই মন্তব্য তাকে এমন একজন নারী হিসেবে তুলে ধরেছে, যিনি নিজের পক্ষে কথা বলতে অক্ষম।

অথচ বাস্তবে তিনি সব সময় নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন এবং প্রয়োজন হলে প্রতিবাদ জানাতে দ্বিধা করেন না।

যদিও বিষয়টি নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ, তবু আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন অনুপ্রিয়া।

তার ভাষায়, এ ধরনের ঘটনাকে আর বেশি গুরুত্ব দিতে চান না। তবে মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রবণতা যে উদ্বেগজনক, সেটিও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

অনুপ্রিয়া আরও জানান, প্রায় দুই বছর আগে এক সাক্ষাৎকারে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছিলেন।

তখনও তার বক্তব্যের একটি অংশ প্রসঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করে প্রকাশ করা হয়েছিল। ফলে তার মন্তব্যের প্রকৃত অর্থ বিকৃত হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

ডিজিটাল যুগে তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে ভুল তথ্যের বিস্তারও।

অনুপ্রিয়া গোয়েনকার সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা সেই বাস্তবতাকেই আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

অভিনেত্রীর মতে, সামাজিক মাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাই করা জরুরি; অন্যথায় তা একজন মানুষের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।