back to top

ভগ্নিপতির বিরুদ্ধে অপহরণ-ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ প্রমাণিত, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৬ ১২:৫৪

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকায় ১৭ বছর বয়সী শ্যালিকাকে ফুচকা খাওয়ানোর কথা বলে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ভগ্নিপতি ফজলুল করিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক এস এম জিল্লুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং পাঁচজন সাক্ষীর জবানবন্দি পর্যালোচনা করে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করেন।

এর ভিত্তিতে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ফজলুল করিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।

একই ঘটনায় অপর একটি ধারায় আদালত তাঁকে আরও ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. আকবর আলী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তিনি পলাতক রয়েছেন। ফলে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এ রায় দেন।

দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উপস্থাপিত প্রমাণ বিশ্লেষণের পর ট্রাইব্যুনাল আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে প্রমাণিত বলে বিবেচনা করেন।

রায়ের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগের বার্তা পুনর্ব্যক্ত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।