back to top

হজযাত্রীদের ফিরতি যাত্রা অব্যাহত, নিরাপদে দেশে ফিরলেন ৬১ হাজার ৬৯৭ জন

প্রকাশিত: ২০ জুন, ২০২৬ ০৭:১৫

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এ পর্যন্ত ৬১ হাজার ৬৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি নিরাপদে দেশে ফিরেছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্প ডেস্ক প্রকাশিত সর্বশেষ হজ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বুলেটিন অনুযায়ী, ১৫৬টি ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে এসব হাজি দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

হজ অফিসের তথ্য বলছে, দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৫৭ হাজার ৩৭৮ জন হজ পালন শেষে ফিরেছেন।

এয়ারলাইন্সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৭৮টি ফ্লাইটে ২৭ হাজার ৩৬৩ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫৬টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৬৫২ জন এবং ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ফিরেছেন আরও ৪ হাজার ১০ জন হাজি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সৌদি আরবে অবস্থানরত অবশিষ্ট হাজিদেরও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

এদিকে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী রয়েছেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন এবং ১১ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন

এছাড়া সৌদি মেডিকেল সেন্টারগুলো মোট ৬৬ হাজার ২৪৯ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে।

অন্যদিকে, মক্কা ও মদিনায় স্থাপিত আইটি হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৯৮ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও প্রয়োজনীয় সেবা দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রী পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়।

হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এ বছর বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

বাকি হাজিদেরও পর্যায়ক্রমে দেশে ফেরার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।