গাউসিয়া হক ভান্ডারী খানকাহ শরীফের ব্যবস্থাপনায় পাঁচদিনব্যাপী শোহাদা–ই কারবালা মাহফিলের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান গতকাল নগরের হামজারবাগের বিবিরহাটে অবস্থিত মাদ্রাসা–ই–শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম কিডনি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার কামালুর রহমান বলেন, আহলে বায়াতে রাসুল (দ.)–এর প্রতি ভক্তি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাই ঈমান এবং প্রকৃত ইসলামের মূল ভিত্তি।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন গোমদন্ডী দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন হযরত মাওলানা সৈয়দ আহমদুল হক।
তিনি বলেন, শোহাদা–ই কারবালা ঈমানদার মুসলমান ও মোনাফিককে চিহ্নিত করার অন্যতম কষ্টিপাথর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক অধ্যাপক আবু তালেব বেলাল।
বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ফরহাদাবাদ দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন মাওলানা সৈয়দ ফয়সাল আবেদীন ফরহাদাবাদী এবং মাইজভাণ্ডারী একাডেমির সদস্য মাওলানা মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন।
গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ শরীফের সহসভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ হাবীব (বাবু) অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
সঞ্চালনা করেন মাদরাসা–ই শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা হারুনুর রশিদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শোহাদা–ই কারবালা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী, কো–চেয়ারম্যান ফজলুল হক ফজু, এম মাকসুদুর রহমান হাসনু, কাজী নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন সিদ্দীকি। আরও উপস্থিত ছিলেন উদযাপন পরিষদের সচিব মাওলানা কাজী হাবীবুল হোসাইন, আকতার মিয়া, মুহাম্মদ ওমর ফারুখ, মেজবাহ উদ্দিন মেজবাহ, মুহাম্মদ শওকত হোসাইন রুবেল, মোহাম্মদ খুরশিদ আলম, সাংবাদিক বরুন কুমার আচার্য বলাই, আবদুল মান্নান, রোকনুজ্জামান টুটুল, মোহাম্মদ আবদুর রব, কাজী আশরাফ হোসাইন, জিয়াউল হাসান সাইফ, আবু সাদাত সায়েম সুমন, সাইফুল ইসলাম, আহসান উল্লাহ চৌধুরী বিভন, মাওলানা হারুনুর রশিদ, সৈয়দ আনিসুল ইসলাম আলম, দিদারুল আলম, মোহাম্মদ নুর মিয়া, মজিবুর রহমান রাসেল, মোহাম্মদ ওসমান, রাজা, জুয়েল, রিমন, রানা, মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, রিপন ও বিজয়সহ অনেকে।
মাহফিলে বক্তারা কারবালার আত্মত্যাগ, ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার আদর্শ তুলে ধরেন।
তাঁরা বলেন, শোহাদা–ই কারবালার শিক্ষা মানবতার জন্য চিরন্তন প্রেরণা এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।
পাঁচদিনব্যাপী এ আয়োজনের পরবর্তী অনুষ্ঠানগুলোতেও বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণের আশা প্রকাশ করেন আয়োজকেরা।

