back to top

গাউসিয়া হক ভান্ডারী খানকাহ শরীফে শোহাদা-ই কারবালা মাহফিলের ৩য় দিন

প্রকাশিত: ২৪ জুন, ২০২৬ ১২:১১

চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগের বিবিরহাটে অবস্থিত মাদ্রাসা-ই-শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী মিলনায়তনে গাউসিয়া হক ভান্ডারী খানকাহ শরীফের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত পাঁচদিনব্যাপী শোহাদা-ই কারবালা মাহফিলের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ তরিকুল আলম বলেন, “আধ্যাত্মিকতা, সত্য, ন্যায় ও মানবতা শিক্ষায় আহলে বাইতে রাসূল (দঃ)-এর অবদান অনস্বীকার্য।” তিনি কারবালার মহান আদর্শকে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান।

প্রধান আলোচকের তকরির পেশ করেন শায়খ মাওলানা মীর মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন নূরী আল কোরাইশী, সাজ্জাদানশীন, ওষখাইনীরি নূরীয়া বিষু দরবার শরীফ।

তিনি বলেন, “আহলে বায়তে রাসূল (দঃ)-এর মোয়াদ্দত ও সাহাবায়ে কেরামের মুহাব্বত সকলের জন্য অপরিহার্য।” তিনি কারবালার আত্মত্যাগের চেতনা ও ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা হৃদয়ে ধারণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দেশ রূপান্তরের স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ রফিক। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোহাম্মদ মুজিবুল হক মাইজভাণ্ডারী, আরবি প্রভাষক, মাদরাসা-এ গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্য এম. মাকসুদুর রহমান হাসনু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাওলানা সৈয়দ আবু আহমদ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শোহাদা-ই কারবালা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী, কো-চেয়ারম্যান ফজলুল হক ফজু, মোঃ মহিব উল্লাহ, উদযাপন পরিষদের সচিব মাওলানা কাজী হাবীবুল হোসাইন, আকতার মিয়া, মুহাম্মদ ওমর ফারুখ, মুহাম্মদ শওকত হোসাইন রুবেল, মোহাম্মদ খুরশিদ আলম, সাংবাদিক বরুন কুমার আচার্য বলাই, আবদুল মান্নান, রোকনুজ্জামান টুটুল, মোহাম্মদ আবদুর রব, কাজী আশরাফ হোসাইন, জিয়াউল হাসান সাইফ, আবু সাদাত সায়েম সুমন, সাইফুল ইসলাম, আহসান উল্লাহ চৌধুরী বিভন, হাফেজ মাওলানা হারুনুর রশিদ, সৈয়দ আনিসুল ইসলাম আলম, দিদারুল আলম, মোহাম্মদ নুর মিয়া, মজিবুর রহমান রাসেল, মোহাম্মদ ওসমান, রাজা, জুয়েল, রিমন, রানা, মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, রিপন, বিজয়সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মাহফিলে বক্তারা কারবালার ইতিহাস, আহলে বাইতের মর্যাদা এবং মানবকল্যাণে তাঁদের অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সত্য, ন্যায়, ত্যাগ ও মানবতার আদর্শ সমাজে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।