back to top

কাস্টম হাউস নাকি দালালদের অভয়ারণ্য?

কর্মকর্তাদের নামে ঘুষ লেনদেনে প্রতিটি শাখায় সক্রিয় বহিরাগত সিন্ডিকেট!

প্রকাশিত: ০৭ জুন, ২০২৬ ০৫:১৫

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠান। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সিদ্ধান্ত সরাসরি প্রভাব ফেলে জাতীয় অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাজস্ব খাতে।

কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে ও বাইরে দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালালচক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, কাস্টম হাউসের বিভিন্ন শাখাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বহিরাগতদের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যারা নিজেদের কখনো কম্পিউটার অপারেটর, কখনো নথি সহকারী, কখনো অফিস স্টাফ কিংবা কর্মকর্তাদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কর্মকর্তাদের নামে ঘুষ সংগ্রহ, ফাইল নিয়ন্ত্রণ, নথি ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।

‘দালাল’ নাকি ‘অফিস স্টাফ’—বুঝে ওঠা কঠিন :
অভিযোগ অনুযায়ী, কাস্টম হাউসের বিভিন্ন সেকশনে এমন বহু ব্যক্তি নিয়মিত বিচরণ করেন, যাদের অনেককে সাধারণ সেবাগ্রহীতা অফিসের কর্মচারী বলেই মনে করেন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, বছরের পর বছর ধরে এই ব্যক্তিরা এমনভাবে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন যে, অনেক ক্ষেত্রে তাদের প্রকৃত পরিচয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া কঠিন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সেকশন-৯(বি), ৯(এ/সি), ২, ৩, ৪, ৫(এ), ৫(বি), ৬, ৭(এ) ও ৮(এ)–সহ বিভিন্ন শাখায় নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের নামে ঘুষের অর্থ সংগ্রহ, সংরক্ষণ কিংবা লেনদেনের দায়িত্ব পালন করেন।

কারও বিরুদ্ধে ভুয়া কম্পিউটার অপারেটর পরিচয়ে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে, কেউ নথি ও ফোল্ডার এন্ট্রির নিয়ন্ত্রণে, আবার কেউ ‘নাস্তা খরচ’ বা ‘প্রসেসিং খরচ’-এর নামে অর্থ সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিস্তৃতি প্রায় প্রতিটি শাখায়:

অভিযোগপত্রে বিভিন্ন শাখাভিত্তিক অসংখ্য ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, এসব ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হয়ে ঘুষ আদান-প্রদান, ফাইল ব্যবস্থাপনা কিংবা অনানুষ্ঠানিক দরকষাকষির কাজে যুক্ত।

সেকশন-৯(বি): অভিযোগ অনুযায়ী, মোহাম্মদ রাসেল গাজী নিজেকে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন এবং ঘুষ লেনদেনে ভূমিকা রাখেন। একই শাখায় মো. আনোয়ার এআরও ও আরও কর্মকর্তাদের হয়ে অর্থ সংগ্রহ ও লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া মোহাম্মদ মনছুর আলম, মোহাম্মদ সানজু এবং মোহাম্মদ নাজিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফাইল ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে ‘চা-নাস্তা খরচ’সহ বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ করা হয়েছে।

সেকশন-৯ (এ/সি) : এই শাখায় মোহাম্মদ জুয়েলের বিরুদ্ধে কম্পিউটার অপারেটর পরিচয়ে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। একই শাখায় মোহাম্মদ ফাহিম এআরও ও আরও কর্মকর্তাদের নামে অর্থ সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া আবুল হোসেন, মোহাম্মদ রাজু ও মোহাম্মদ আশিকের বিরুদ্ধে নথি, ফোল্ডার এন্ট্রি ও ফাইল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

সেকশন-২ : অভিযোগ অনুযায়ী, মাহমুদুল হক সানি ভুয়া কম্পিউটার অপারেটর পরিচয়ে কাজ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নামে অর্থ সংগ্রহ করেন। একই শাখার মোহাম্মদ আলী আহম্মদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফাইলে ‘নাস্তা খরচ’ উল্লেখ করে অর্থ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রে সিল প্রদান এবং অর্থ সংগ্রহে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে এআরও কর্মকর্তাদের নামে অর্থ সংরক্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

সেকশন-৩ : অভিযোগে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ আরিফ শুল্ক নির্ধারণ ও মূল্যায়নসংক্রান্ত বিষয়ে প্রভাব খাটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেন। মোহাম্মদ মিনহাজ বিভিন্ন অফিস কার্যক্রমে সহযোগিতার আড়ালে অর্থ সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মোহাম্মদ মেহেদীর বিরুদ্ধে কম্পিউটার অপারেটর পরিচয়ে কাজ করার পাশাপাশি অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ করা হয়েছে। একই শাখার আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে নোট, নোটশিট ও প্রশাসনিক কাগজপত্র তৈরির পাশাপাশি অর্থ সংগ্রহে ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে। মোহাম্মদ পাভেল কম্পিউটার অপারেটর পরিচয়ে এবং মোহাম্মদ মনি সরাসরি দরকষাকষির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মোহাম্মদ মামুনের বিরুদ্ধে অফিসে নাস্তা সরবরাহের পাশাপাশি অর্থ সংরক্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

সেকশন-৪ : অভিযোগকারীদের দাবি, মো. আবু তাহের প্রকাশ টুপি মিজান বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেনসংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করেন। একই শাখার মোহাম্মদ শাহ আলম এআরও ও আরও কর্মকর্তাদের নামে অর্থ সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মোহাম্মদ সোহাগের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন ও বিভিন্ন অনিয়মে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। মোহাম্মদ আরমান ভুয়া কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মোহাম্মদ শুভ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে নাস্তা সরবরাহের আড়ালে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া মোহাম্মদ জিরানের বিরুদ্ধে আউটপাস-সংক্রান্ত কার্যক্রমে এবং মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে নথি ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

সেকশন-৬ : মোহাম্মদ পাপ্পুর বিরুদ্ধে ভুয়া কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। রতনের বিরুদ্ধে নথি ও ফোল্ডার এন্ট্রির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ করা হয়েছে। মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন নাস্তা সরবরাহসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেকশন-৮(এ) : অভিযোগ অনুযায়ী, মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন ভুয়া কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। মোহাম্মদ নোমানের বিরুদ্ধে নথি ও ফাইলপত্র নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অভিযোগ রয়েছে। আরমান রেজা কর্মকর্তাদের নামে অর্থ সংরক্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মোহাম্মদ রানার বিরুদ্ধে কর্মকর্তাদের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া মোহাম্মদ কুদ্দুস বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি অর্থ সংরক্ষণ এবং মোহাম্মদ মঞ্জুর সরাসরি অর্থ গ্রহণের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সেকশন-৫(এ) : মোহাম্মদ রোকনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে কম্পিউটার অপারেটরের দায়িত্ব পালনের অভিযোগ রয়েছে। মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে অর্থ সংগ্রহের দায়িত্বে থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া মোহাম্মদ সম্রাট, আবুল হাসনাত, মোহাম্মদ বিল্লাল এবং আয়াত (কায়েমের ছেলে)-এর নামও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেকশন-৫(বি) : মোহাম্মদ নাসির ও জুয়েলের বিরুদ্ধে কর্মকর্তাদের হয়ে অর্থ লেনদেন ও ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে কাজ করার অভিযোগ করা হয়েছে।

সেকশন-৭(এ) : সাইফুল শাহীনের বিরুদ্ধে নথি ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের হয়ে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। একই শাখায় মোহাম্মদ সুমনের বিরুদ্ধে শুল্কায়ন কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ আনা হয়েছে। মোহাম্মদ নাসিরের বিরুদ্ধে কর্মকর্তাদের নামে সংগৃহীত অর্থ নিজের তত্ত্বাবধানে সংরক্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, একটি সুসংগঠিত কাঠামোর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ব্যক্তিরা কর্মকর্তাদের ‘ক্যাশিয়ার’, ‘সংগ্রাহক’ কিংবা ‘বিশ্বস্ত প্রতিনিধি’ হিসেবে কাজ করেন। কেউ কেউ আবার কর্মকর্তাদের হয়ে দরদাম ঠিক করে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ঘুষের অর্থের পরিমাণ নিয়ে বিস্ময়কর দাবি:
বিভিন্ন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, কাস্টম হাউসে প্রতিদিন কয়েক শত কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়। যদিও এই দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো সরকারি পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

তবে অভিযোগকারীদের বক্তব্য, কাস্টমস-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা, শুল্ক নির্ধারণে সুবিধা পাওয়া কিংবা প্রশাসনিক জটিলতা এড়ানোর জন্য অনানুষ্ঠানিক অর্থ লেনদেনের একটি সংস্কৃতি দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দুদকের অভিযান, কিন্তু প্রশ্নের শেষ নেই:
অভিযোগে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে কয়েকজনকে হাতেনাতে আটক করার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, যদি এতদিন ধরে অভিযোগ, অভিযান ও আটক হওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে কথিত সিন্ডিকেটের মূল কাঠামো কেন অক্ষত রয়ে গেছে?

তাদের দাবি, প্রভাবশালী এই নেটওয়ার্কের কারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।

লিখিত অভিযোগেও মেলেনি দৃশ্যমান পরিবর্তন:
গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের কমিশনারের কাছে যৌথভাবে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে বিভিন্ন অনিয়ম, দালালচক্রের কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, লিখিতভাবে বিষয়গুলো জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং অভিযুক্তদের কার্যক্রম আগের মতোই অব্যাহত রয়েছে।

মুখপাত্রের বক্তব্য:
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মুখপাত্র ও অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিনের বিরুদ্ধেও অভিযোগপত্রে নানা অনিয়মের প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে।

তবে দালালদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “বহিরাগতদের সঙ্গে সিএন্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের সম্পর্ক থাকতে পারে। কেউ অফিসিয়াল কাজে অফিসে এলে তাকে আসতে নিষেধ করার সুযোগ নেই। তবে অফিস স্টাফদের সঙ্গে তাদের সখ্যতা বা আন্তরিক সম্পর্ক থাকতে পারে।” সূত্র-ডি সাঙ্গু

তবে কর্মকর্তাদের হয়ে বহিরাগতরা ঘুষের অর্থ আদান-প্রদানের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন—এমন অভিযোগ সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

যে প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও মেলেনি:
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো হলো—

বহিরাগত ব্যক্তিরা কীভাবে বছরের পর বছর বিভিন্ন শাখায় প্রভাব বিস্তার করছেন?
কারা তাদের প্রবেশ ও কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দিচ্ছেন?
কেন অভিযোগের পরও তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না?
দালালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর?
দুদকের অভিযান সত্ত্বেও কথিত সিন্ডিকেট কেন ভাঙছে না?

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত এখন সময়ের দাবি।

কারণ প্রশ্ন শুধু কয়েকজন ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠানের নয়; প্রশ্ন রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনআস্থার।