মাতামুহুরীতে মা-মেয়েকে ধর্ষণ ও ডাকাতি: কথিত মূলহোতা জিসান গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৯

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে আলোচিত ডাকাতি ও মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় কথিত মূলহোতা জিসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বটতলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুলাই পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ডাকাতির সময় এক গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। চকরিয়া সার্কেলের তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক দল বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় রেজাউল করিম, তোফাজ্জল হোসেন, কেফায়েত হোসেন, মোহাম্মদ তানজিদ, মেহেদী হাসান ও মোহাম্মদ তারেক নামে ছয়জনকে আটক করা হয়েছিল।

এরপরও কথিত মূলহোতা জিসানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিয়ে অপেক্ষায় ছিল ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।

অবশেষে শুক্রবার বটতলী এলাকা থেকে তার গ্রেপ্তারের খবর আসে। এতে আলোচিত এ ঘটনায় তদন্তে নতুন গতি এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জিসান গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

তারা জানান, ঘটনার পর থেকেই তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ছিলেন। কথিত মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন।

তবে শুধু একজনকে গ্রেপ্তারেই থেমে থাকতে চান না তারা। ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. মাসুদ বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফলে আলোচিত এ ঘটনার তদন্তে সামনে আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।