ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক লায়ন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীকে শপথ না নিতে আদালতের রায় ঘোষণার পরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশ।
দুপুর গড়ানোর আগেই বিভিন্ন স্থানে সড়কে নেমে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তাঁর সমর্থকেরা।
কোথাও টায়ার জ্বালানো হয়, কোথাও গাছ কেটে সড়কে ফেলে রাখা হয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) আদালতের রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রথমে কুমিরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আলমগীর মেম্বারের নেতৃত্বে ছোট কুমিরা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ শুরু হয়।
পরে ছোট দারোগারহাট, বাড়বকুণ্ডসহ মহাসড়কের আরও কয়েকটি স্থানে ছড়িয়ে পড়ে কর্মসূচি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছোট দারোগারহাট এলাকায় কয়েকজন যুবক অকটেনচালিত ইঞ্জিনচালিত করাত দিয়ে মহাসড়কের পাশের গাছ কেটে সড়কের ওপর ফেলে রাখেন।
একই সঙ্গে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং কয়েকটি কনটেইনার সড়কের ওপর আড়াআড়িভাবে রেখে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বাড়বকুণ্ড এলাকায় অবস্থান নেওয়া বিক্ষোভকারীরা বলেন, আসলাম চৌধুরীকে শপথ বাক্য পাঠ করানো না হলে তাঁরা মহাসড়ক ছাড়বেন না।
কুমিরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আলমগীর মেম্বার বলেন, “আমাদের আবেগের জায়গা লায়ন আসলাম চৌধুরী। তাঁর মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও বিভিন্ন জটিলতা তৈরি করা হয়েছিল।
বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন করে ষড়যন্ত্রের ফাঁদে তাঁকে ফেলা হচ্ছে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট নই। জনদরদী আসলাম চৌধুরী ন্যায়বিচার পাবে—এটাই আমাদের দাবি।”
আদালতের রায়কে কেন্দ্র করে মহাসড়কের একাধিক স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় দিনভর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

