চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানা-পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে দাবি করা ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
একই অভিযানে স্বর্ণের ওজন মাপার একটি ডিজিটাল নিক্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড় উঠান এলাকার সেতু দাস ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩), কুমিল্লার দাউদকান্দির মোহাম্মদ আলী (৪৩) এবং মুরাদনগরের দেবব্রত বণিক ওরফে বলাই বণিক (৩৭)।
পুলিশ জানিয়েছে, দেবব্রত বণিক বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের হাজারীগলির একটি ভবনের চতুর্থ তলায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, চোরাই স্বর্ণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এই অর্থ কীভাবে এবং কার মাধ্যমে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, তদন্তে সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় আকবরশাহ থানায় করা নিয়মিত মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৫৪ ও ৩৮০ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর তিনজনকে প্রয়োজনীয় পুলিশি নিরাপত্তায় আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।
পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা, ডিজিটাল নিক্তি এবং চোরাই স্বর্ণের মধ্যকার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, থাকলে তাদের ভূমিকা কী-সেটিও বেরিয়ে আসতে পারে।
এখন তদন্তকারীদের নজর মূলত দুটি বিষয়ের দিকে-উদ্ধার হওয়া অর্থের প্রকৃত উৎস এবং চোরাই স্বর্ণের সঙ্গে জড়িত চক্রের পরিধি।
তদন্ত শেষে এ ঘটনায় আরও কোনো তথ্য সামনে আসে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
